অভিধানে শব্দ সাজানোকে বলা হয় ভুক্তি। সব ভাষার অভিধানেই শব্দের এ-ভুক্তি নির্দিষ্ট ভাষার বর্ণক্রম অনুসারে হয়। বাংলায় ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে। যেমন-
স্বরবর্ণ : অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ
ব্যঞ্জনবর্ণ : ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ বভ ম য র ল শ ষ স হ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ।
অভিধানে এই ক্রম ঠিক এভাবে অনুসরণ করা হয়নি। সামান্য কিছু বৈচিত্র্য এক্ষেত্রে রয়েছে। বাংলা অভিধানে গৃহীত বর্ণানুক্রম নিম্নরূপ:
অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ ৎ ং ঃ ঁ ;
ক ক্ষ খ গ ঘ ঙ; চ ছ জ ছ ঞ; ট ঠ ড ড় ঢ ঢ় ণ; ত থ দ ধ ন; প ফ ব ভ ম; য (য়) র ল শ ষ স হ।
উল্লেখ্য যে,ং ঃ ঁ স্বরবর্ণের পরে ও ব্যঞ্জনবর্ণের আগে ব্যবহৃত হয়। আর 'ক্ষ' যুক্তবর্ণ হলেও অভিধানে ক-বর্ণের পরে বর্ণরূপে প্রয়োগ হয়।

অভিধানে ব্যবহৃত বর্ণানুক্রমিক শব্দ
বাংলা অভিধানের শব্দগুলো যেভাবে বর্ণানুক্রমে সাজানো হয়েছে তার কিছু নমুনা নিচে উল্লেখ করা হলো:
অ
অনাথ [অনাথ] বিণ এতিম; মা-বাবা এবং অভিভাবক নেই যেসব শিশুর।
অবনি, অবনী (বিরল) [অবোনি] বি পৃথিবী; ধরা; জগৎ।
আ
আক্কেল [আক্কেল] বি ১. বুদ্ধি; বিবেচনা; কাণ্ডজ্ঞান।
উ
উনুন [উনুন] বি চুলা।
ক
কিচিরমিচির [কিচির্মিচির্] বি ক্ষুদ্র পশুপাখির একসঙ্গে কোলাহল ধ্বনি।
কুমোর [কুমোর] বি কুম্ভকার; মাটি দিয়ে পুতুল, পাত্র, প্রতিমা তৈরি করা যাদের পেশা।
খ
খিড়কি, খিড়কী [খিড়কি] বি জানালা; বাতায়ন।
গ
গচ্ছা [গচ্ছা] বি অনর্থক অর্থদণ্ড; ক্ষতিপূরণ।
ছ
ছিন্ন [ছিন্নো] বিণ ছেঁড়া।
ছোপ [ছোপ] বি রঙের পোঁচ।
ড
ডাগর [ডাগোর] বিণ বৃহৎ; বড় (ডাগর চোখ, ডাগর মেয়ে)।
ত
তারিফ [তারিফ্] বি প্রশংসা; বাহবা।
তেজস্বী [তেজোশ্শি] বিণ শক্তিশালী; তেজোময়।
দ
দরবার [দর্বার] বি রাজসভা; জলসা।
দিব্যি [দিব্বি] বিণ ভালোভাবে; উত্তম; চমৎকার; পরিষ্কার করে।
ন
নিখিল [নিখিল] বিণ সমগ্র; পুরো; সমুদয়।
নিরানন্দ [নিরানোন্দো] বিণ আনন্দহীন; বিষণ্ণ; অসুখী।
নিয়তি [নিয়োতি] বি ভাগ্য; অদৃষ্ট; নসিব।
শ
শীর্ণ [শির্নো] বিণ কৃশ; ক্ষীণ; রোগা।
স
সচরাচর [শচরাচর] ক্রিবিণ সাধারণত; প্রায়শ; বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more